নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি বছরের আগস্ট মাসে দেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস নাগাদ ধাপে ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷
নির্বাচনের সময় যতো ঘনিয়ে আসছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তাদের সাথে কুশল বিনিময় করছেন।
গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এসকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে যারা নির্বাচন করবেন তারা তাদের প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। সময় যতো ঘনিয়ে আসবে ততোই প্রচারণা বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আশফাক আহমদ চৌধুরী তার ইউনিয়নের জনগণের চাপে আবারও ভোটের মাঠে সক্রিয়। এবারের নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবেন যেটা অনেকটাই নিশ্চিত।
আশফাক আহমদ চৌধুরী বলেন,'দেশ যখন কঠিন এক সময় পাড় করছিলো তখন আমি জনগণের সমর্থন পেয়েছি। সদর ইউনিয়নের জনগণ আমাকে চেয়ারম্যান পদে জয়যুক্ত করে ছিলেন। আমি চেষ্টা করেছি আমার ইউনিয়নের জনগণের জন্য কাজ করতে। তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিলো, তখন আমি বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়ে ছিলাম। আমি চেষ্টা করেছি ওই সময়ে আমার ইউনিয়নের মানুষের জন্য কিছু করতে।'
তিনি বলেন,'সামনে আবারও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। আমার ইউনিয়নের জনগণ অনেকটা চাপে রেখেছেন আমাকে নির্বাচন করার জন্য। জনগণের চাওয়াকে আমি কখনো ফিরিয়ে দিতে পারি না। কারণ তাদের কাছে আমি ঋণী। ইনশাআল্লাহ আসন্ন নির্বাচনে আমি প্রার্থী হওয়ার কথা রয়েছে। আমি ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমার সারাজীবন ব্যয় করতে চাই। এবার সদর ইউনিয়নবাসীকে ভালো কিছু উপহার দিতে চাই।'
আশফাক চৌধুরী আরও বলেন,'এখন যেহেতু বিএনপি সরকার ক্ষমতায়, আর আমি যদি নির্বাচন করে বিজয়ী হতে পারি, তাহলে আমার ইউনিয়নের জনগণ বিগত দিনের মতো সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না। কারণ বিএনপি দেশের জনগণের উন্নয়ন চায়।'
জানা যায়, আশফাক আহমদ চৌধুরী ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। আওয়ামী লীগ আমলে হামলা-মামলার শিকার হয়ে তাকে কারাগারে ঈদ পালন করতে হয়েছে৷ এছাড়া ২০২০ সালের ১৭ নভেম্বর গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়েরকৃত মামলায় তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে আশফাক আহমদ চৌধুরী উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করে তার পদ ফিরে পেয়েছিলেন।
