গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, সারা বাংলাদেশে সরকারি ভাবে কয়েকটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আমি মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর কাছে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে দুইটি ট্রেনিং সেন্টারের জন্য আবেদন করেছি তিনি সেটা গ্রহণ করেছেন। আমার বিশ্বাস-আশাবাদী দুইটাই হবে। যদি অনুমোদন হয় তাহলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আপনারা বিভিন্ন ভাষা শিখে সার্টিফিকেট পাবেন, আপনারা বিদেশে যেতে পারবেন।
তিনি বলেন, দেশের ৫১ ভাগ মহিলাদের বাইরে রেখে আমরা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চিন্তাই করতে পারিনা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী বছর থেকে মেয়েদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছেন। এরআগে বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার যে টার্গেট ছিলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রহমানেরও টার্গেট হচ্ছে, দেশে অর্ধেকের বেশি মহিলা, তাদেরকে ঘরে বসিয়ে রাখলে দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করতে পারব না। তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে, তারা যখন কাজে লাগবে এই ফ্যামেলি উন্নত হবে, রাস্ট্র উন্নত হবে আর রাস্ট্র উন্নত হবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে সূচনা ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ-এর উদ্বোধন ও সূচনা মেডিকেল এন্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষক সাল সাবেলা মাহবুব কান্তার পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- আইএসআইএসসি এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সদস্য মির্জা নুরুল গণি শোভন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাশরেফুল আলম, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সফিউল ইসলাম, সূচনা মেডিকেল এন্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক ছাইদুর রহমান, ওয়াইট পাল সিলেটের পরিচালক সালাউদ্দিন, উপজেলা ইউএনও অফিসের নাজির রোমান আহমদ নৌশাদ, প্রশিক্ষক আব্দুস সামাদ, জাহিদ হাসান তুষার, সাহেদা বেগম, তামান্না বেগম,কো-অর্ডিনেটর তাহমিনা বেগম মনিশা, কম্পিউটার অপারেটর সাহেরা বেগম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে শেষে সূচনা মেডিকেল এন্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন ব্যাচে প্রশিক্ষণ দিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
