নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় আসামি হলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী যুবলীগ নেতা মিজান আহমদ।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় সিলেটের মাননীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালত সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদ, প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ ১৮৫ জনের নামোল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন দোয়ারাবাজার উপজেলার রামনগর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মো. বায়জিদ আলম (১৯)। কোতোয়ালী জি.আর মামলা নং-৩০৪/২০২৫ ইং।কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-০২, তাং-০২/০৭/২০২৫ইং।
উক্ত মামলায় ৬৫ নাম্বার আসামি করা হয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও লক্ষীপাশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মিজান আহমদকে। তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের কতোয়ালপুর গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৮ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে সারাদেশের ন্যায় সিলেটে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ও সরকার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতার মিছিলে যোগদান করেন মামলার বাদি বায়জিদ আলম। শান্তিপূর্ণ মিছিলটি যখন কোর্ট পয়েন্ট থেকে শহিদ মিনারের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে রওয়ানা হয় তখন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার উপর দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় ছাত্র-জনতা প্রাণ রক্ষার্থে দিগবিদিক ছুটতে থাকেন। এসময় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলায় অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হন। এসময় হামলায় আহত হন মামলার বাদি বায়জিদ আলম।
পরবর্তীতে দীর্ঘদিন পর ন্যায় বিচার নিশ্চিতে তিনি আদালতে একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে প্রবাসে থেকেও মামলার আসামি হওয়ায় চিন্তিত মিজান আহমদ। কারণ তার দেশে ফেরা বর্তমানে অসম্ভব। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, দেশে থাকাকালীন সময়ে মিজান আহমদ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। যে কারণে হিংসাত্মক ভাবে মিজান আহমদের নাম মামলায় রাখা হয়েছে। বর্তমানে তারা মিজান আহমদের দেশে ফেরা নিরাপদ নয় বলে জানান।
