নিজস্ব প্রতিবেদক : গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আশফাক আহমদ চৌধুরী বলেছেন,'বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে ২নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তখনকার নির্বাচনে আমার ইউনিয়নের জনগণ আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে ছিলেন। আমার দায়িত্বকালীন এই কঠিন সময়ে চেষ্টা করেছি আমার ইউনিয়নের জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে। আমি যদি সারাজীবন আমার ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করি তাহলে এই ঋণ কখনো শোধ হবে না। আমি চাই আমৃত্যু পর্যন্ত আমার ইউনিয়নের জনগণের জন্য কাজ করতে৷'
তিনি আরও বলেন,'বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিলো। জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিলো। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে৷ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে দেশকে গুছিয়ে তুলতে শুরু করেছেন। জণগণ তার সুফল পাওয়া শুরু করেছে৷ ইনশাআল্লাহ বিএনপির আমলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহু দূর এগিয়ে যাবে।'
আশফাক চৌধুরী আরও বলেন,'চলতি বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে৷ আমি বিগত দিনে আমার ইউনিয়নের জনগণের ভালোবাসায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করি। ইনশাআল্লাহ জনগণ যদি চায় তাহলে আমি এবারও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবো। আমার ইউনিয়নের জণগণের সমর্থনে আমি যদি নির্বাচনে এসে জয়লাভ করি, তাহলে এবার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সাধিত হবে। কারণ বিএনপি সরকার উন্নয়ন চায়, আর আমি বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমার ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে পারব ইনশাআল্লাহ।'
এদিকে এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
জানা যায়, আশফাক আহমদ চৌধুরী ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। আওয়ামী লীগ আমলে হামলা-মামলার শিকার হয়ে তাকে কারাগারে ঈদ পালন করতে হয়েছে৷ এছাড়া ২০২০ সালের ১৭ নভেম্বর গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়েরকৃত মামলায় তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে আশফাক আহমদ চৌধুরী উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করে তার পদ ফিরে পেয়েছিলেন।
