সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন এলাকার আলাউদ্দিন আকন্দের ছেলে মিনহাজ। তার স্ত্রীর নাম সানজিদা ইসলাম। দুই বছরের এক ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন। তিনি ওই ফিলিং স্টেশনে চাকরি করতেন।
তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মিনহাজ উদ্দিনের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় আরও তিন জন চিকিৎসাধীন।’
মৃতের চাচা মো. জসিম উদ্দিন আকন্দ বলেন, ‘সরকার এতো টাকা-পয়সা খরচ করে এই বার্ন হাসপাতাল বানিয়েছে, কিন্তু চিকিৎসকরা কোনও রোগীকে বাঁচাতে পারছেন না। একের পর এক আমাদের ছয় জন রোগী মারা গেলো।’
এর আগে, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেট মহানগরের মীরা বাজার এলাকার বিরতি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কম্প্রেসার কক্ষের একটি সেফটি ভাল্ব বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৯ জন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে সাত জন ওই স্টেশনের কর্মচারী এবং দুই জন পথচারী। প্রথমে তাদের স্থানীয় হাসপাতাল পরে ৬ সেপ্টেম্বর রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
