শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানী ঢাকার বারডেম হাসপাতালে তাদের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। দুই ভাই বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
সবুজ ও পলাশের বাবা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মানিক মিয়া জানান, তার বড় ছেলে সবুজ সৌদি আরবে কাজ করতেন। সেখানে থাকা অবস্থায় কিডনির সমস্যা দেখা দিলে ৫ মাস আগে দেশে ফেরেন সবুজ। একপর্যায়ে জানা যায়, তাঁর দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে।
তিনি আরও জানান, অনেক চিকিৎসার পরও সুস্থ না হলে সবুজের কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমন সময় ছোট ছেলে পলাশ ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসে।
বহরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ জানান, প্রতিদিন যেখানে জমি-সম্পত্তির জন্য ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের খবর সামনে আসে, সেখানে সবুজ-পলাশের ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসার গল্প অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
