নিউজ ডেস্ক : ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আশরাফ আল রাহি। প্রবাসে অবস্থান করলেও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক মামলার আসামি হলেন তিনি।
গতকাল (৬ জুন) মাননীয় অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেটে (কোতোয়ালী জি.আর মামলা নং: ২৭১/২০২৫ ইং) যাহা (কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৬, তারিখ: ০৫/০৯/২০২৫ ইং) মামলাটি দায়ের করেন কোতোয়ালির থানার চন্দনটুলা এলাকার সিরাজ আহমদের ছেলে আলী আহমদ আলম (৩৯)। মামলার তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামানকে প্রধান আসামি করে ৫১ জনের নামোল্লেখ ও ৯০/১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করেন। ওই মামলায় ১২ নম্বর আসামি করা হয় আশরাফ আল রাহিকে।
তিনি সদর উপজেলার খাদিমপাড়া শাহপরান এলাকার আজমল হোসাইনের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে গত ৪ আগস্ট সারাদেশের ন্যায় উত্তাল হয়ে সিলেট। এদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে কোতোয়ালি থানার দরগা গেইটস্থ নুরজাহান ক্লিনিকের সামনে ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ করছিলো। শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ রুখতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলো। এসময় হঠাৎ করে মামলার ১নং আসামির নেতৃত্বে অন্য আসামিরা ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের এলোপাতাড়ি ছুঁড়া গুলি থেকে বাঁচতে সমাবেশকারীরা দিগবিদিক ছুটতে থাকে।
আরও জানা যায়, এসময় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের গুলির ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে বাদিসহ অনেক ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আহত হোন।
এদিকে প্রবাসে থেকেও একেরপর এক মামলার কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আশরাফ আল রাহির পরিবারের সদস্যরা। দেশের চরম নিরাপত্তাহীনতায়।
