জিতু আহমদ, ওসমানীনগর : দুর্গাদেবীর বোধন, আমন্ত্রণ এবং অধিবাসের মধ্য দিয়ে সিলেটের ওসমানীনগরে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা।
শুক্রবার (২০ অক্টোবর) উপজেলার মন্ডপ-মন্দিরে ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে শুরু হয়েছে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসব।
এর আগে গত ১৪ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পূজাকে আনন্দমুখর করে তুলতে মন্ডপগুলোতে বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে, বর্ণিল সাজসজ্জায় উপজেলাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। ঢাক-ঢোল কাঁসা এবং শঙ্খের আওয়াজে মুখরিত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মন্ডপ।
জানা গেছে, এবছর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৩৪টি মন্ডপে দূর্গাৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে সার্বজনীন ২৮টি ও ব্যক্তিগত ৬ টি মন্ডপ রয়েছে। সকাল থেকে ঢাক-ঢোল কাঁসা এবং শঙ্খের আওয়াজে মুখরিত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মণ্ডপ। কল্পারম্ভ এবং বোধন আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে উৎসবের প্রথম দিন ষষ্ঠী পূজা সম্পন্ন হবে। ষষ্ঠী পূজা সম্পন্নের মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হয়। এ বছর ভক্তদের কষ্ট দূর করতে দেবী দুর্গা আসবেন ঘোড়ায় চড়ে, আর দশমীর দিন বিদায় নেবেন একই বাহনে। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসব।
ওসমানীনগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চয়ন পাল বলেন, 'শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে পূজামন্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে প্রশাসন। পাশাপাশি আমাদের উদ্যোগে ১৫ সদস্যের একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। যারা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রেখে পূজামন্ডপের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখবেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদুল আমিন বলেন, দুর্গোৎসবের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। মন্ডপগুলোতে পুলিশ-আনসার-ভিডিপির সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেয়া ছাড়াও রয়েছে পুলিশের নিয়মিত টহল।
