রোববার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে নিজপাট ইউনিয়নের গুয়াবাড়ি এলাকার চানঘাট নামক স্থান থেকে আব্দুস সালাম (৬০) নামের গুয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এই বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ উদ্বার করা হয়।
নিহত'র পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাগণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ধারনা ভারতীয় খাসিয়ারা সীমান্তের ওপারে হয়তবা তাকে মারধর করে গুরুত্বর জখম করে বাংলাদেশ সীমান্তে এনে লাশ ফেলে রেখেছিল। তবে লাশের গায়ে তেমন আঘাতের চিহৃি দেখা যায় নাই। মাথায় গুরুত্বর জখম ছিল।
রোববার সকাল ৯টার দিকে গুয়াবাড়ি সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় লোকজন জঙ্গলে লাশ পড়ে থাকতে দেখে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি'র টহল টিম কে খবর দেন। বিজিবি'র সহযোগিতায় স্থানীয় জনতা তাকে উদ্বার করে জৈন্তাপুর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
জৈন্তাপুর রাজবাড়ি সীমান্ত ফাড়িঁর বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ উদ্বার স্থান পরিদর্শন করেন এবং জৈন্তাপুর হাসপাতালে ছুটে আসেন।
নিহত ব্যক্তি উপজেলা নিজপাট সদরের মাহুতহাটি মহল্লার বাসিন্দা মছদ্দর আলীর পুত্র আব্দুস সালাম (৬০)। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে গুয়াবাড়ি গ্রামে বসবাস করছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা অফিসার (তদন্ত) আব্দুর রব, এসআই আব্দুল আহাদ, কাজী শাহেদুল হক, শহিদুল ইসলাম সহ পুলিশ ফোর্স হাসপাতালে ছুটে যান।
হাসপাতালে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে। ঘটনার বিষয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ নিহতের লাশ ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে হাসাপাতালে ছুটে যান জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-বশিরুল ইসলাম, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি নূরুল ইসলাম সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগণ।
এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর রাজবাড়ি সীমান্ত ফাড়িঁর বিজিবি'র সাথে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ উদ্বারের কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার (ইনচার্জ) গোলাম দস্তগীর আহমেদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে ছুটে যান। হাসপাতালে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করা হয়। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।
