নিজস্ব প্রতিবেদক : হত্যা মামলার পর এবারও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও একটি মামলায় আসামি হলেন ছাত্রলীগ নেতা কাওসার আহমদ।
গতকাল (১৭ অক্টোবর) সিলেটের কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি (মামলা নং:১৭, তাং:১৭/১০/২০২৪ইং) দায়ের করেন সিলেটের ফাজিলচিশতি এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে মো.জলিল (৩৬)। মামলায় তিনি ছাত্রলীগ নেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী কাওসার আহমদকে ৫৩ নম্বর আসামি করেন। এছাড়া তিনি মামলায় ৭৯ জনের নামোল্লেখ ও ১০০/২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করেন। উক্ত মামলার ১৬ নাম্বার আসামি কাওসার আহমদ চাচাতো ভাই সিলেট জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ এমরুল বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।
কাওসার আহমদ গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের সুন্দিশাইল গ্রামের মো.রফিক উদ্দিনের ছেলে৷ বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। কাওসার আহমদ আমুড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে সারাদেশের ন্যায় ঘটনার দিন ৪ আগস্ট সিলেটের জিন্দাবাজার থেকে বন্দরবাজারের উদ্দেশ্যে মিছিল সহকারে যাওয়ার পথে ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা চালায় মামলার আসামিরা। এসময় আসামিরা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ছাত্র-জনতাকে ধাওয়া করে তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়৷ হামলায় আরও অনেকের মতো আহত হন মামলার বাদি মো.জলিল। ছাত্র-জনতা উপর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এমন হামলা চালানো হয়৷
এদিকে প্রবাসে থেকেও একমাত্র আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় হত্যা মামলার পর এবার আরও একটি মামলায় আসামি হয়েছেন কাওসার আহমদ। তার পরিবার আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এমন মামলায় বারবার আসামি হতে হচ্ছে কাওসার আহমদকে। কাওসার আহমদের দাদা ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা। মহান মুক্তিযুদ্ধে সুন্দিশাইল গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মম ভাবে নিহত হন কাওসার আহমদের দাদা আসদ আলী।
