সোমবার রাতেই মামলা দুটি দায়ের করা হয়।
পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার বাদি কোতোয়ালি থানার এসআই অঞ্জন কুমার দেবনাথ। মামলায় অজ্ঞাতনামা ২০০-৩০০ জনকে আসামী করা হয়।
আর ধর্মগ্রন্থ পুড়ানো মামলার বাদী কোতোয়ালি থানার আরেক এসআই এএইচএম রাশেদ ফজল। এ মামলার আসামী তিনজন। তাদের সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত রোববার রাত ১০টার দিকে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান ও এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পবিত্র কোরআন পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে। রাত ১১টার দিকে হঠাৎ উত্তাল হয়ে পড়ে সিলেট মহানগরের আখালিয়া এলাকা। স্থানীয় জনতা তাদের দুজনকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান ও ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠানটির একটি কক্ষে আটকে রেখে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে রক্ষা করে।
এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপর হামলা করে। ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি লাঠি, ২৩টি ইটের টুকরা ও ১টি পোড়া মোটরসাইকেলসহ ২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।
আর কোরআন শরীফ পুড়ানোর মামলায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও চেয়ারম্যান নুরুর রহমান (৫০)। তিনি কোতোয়ালি থানাধীন আখালিয়া তপুবন এলাকায় থাকেন। অপরজন ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানাধীন বাউলাপাড়া এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে মাহবুব আলম (৪৫)। তিনি কোতোয়ালি থানাধীন আখালিয়া ধানুহাটারপাড় এলাকায় থাকেন।
এছাড়া গ্রেফতারকৃত ক্বারী ইসহাক সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন ফতেহপুর মাদ্রাসার শিক্ষক ও আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের খন্ডকালীন শিক্ষক। সিলেট বেতারের ক্বারিও তিনি।
আজ তাদের আদালতে তুলে রিমাণ্ডের আবেদন করার কথা।
